নতুন সরকার শুরুতেই বাজার নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জে পড়বে

BD REPORT
বিডি রিপোর্ট 15 Apr 2026 07:04 am
নতুন সরকার শুরুতেই বাজার নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জে পড়বে

নতুন সরকারের সামনে বাজার নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নতুন সরকার ক্ষমতায় বসতে না বসতেই শুরু পবিত্র রমজান। এমনিতেই রোজায় বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতির পরও সরকারকে হিমশিম খেতে হয়। নবগঠিত সরকার শুরুতেই বাজার নিয়ন্ত্রণে চাপে থাকবে। তাদের জন্য নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা প্রথম ও সবচেয়ে বড় পরীক্ষা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সরকারের প্রথম ১২ থেকে ১৮ মাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ)। গত ৩১ জানুয়ারি প্রকাশিত সংস্থার আর্টিকেল-ফোর (সদস্য দেশ পর্যালোচনা) কান্ট্রি স্টাফ রিপোর্টে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, ঝুঁকির উৎস এবং দুর্বল খাতগুলোর সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে আইএমএফ বলেছে, বাংলাদেশে সংস্কার ত্বরান্বিত না হলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ব্যাহত হবে। মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক খাতের চাপ দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পরিস্থিতি যাই হোক—বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারের প্রথম চ্যালেঞ্জ শুরু হবে রমজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা নিয়েই। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘রমজানে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল ও খেজুরের মতো পণ্যের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। সরবরাহে সামান্য ঘাটতি হলেই দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এই সময় বাজারে কৃত্রিম সংকট, মজুতদারি ও সিন্ডিকেটভিত্তিক দাম বাড়ানোর প্রবণতা বাড়ে। ফলে নতুন সরকারের জন্য শুরুতেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও গত ৪ জানুয়ারি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিদের সঙ্গে আলোচনায় দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দেন। এতে বোঝা যায়, নির্বাচনের পর বাজার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিকে আসন্ন নির্বাচনে অন্যতম বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দলটিও চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছে।

নতুন সরকারের হাতে ‘সময় কম’

এই চ্যালেঞ্জে ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’ হলো সময়ের স্বল্পতা। নির্বাচন শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই রমজান শুরু হলে সরকার গঠনের প্রাথমিক সময়েই বাড়তি চাপ তৈরি হবে। রোজা শুরুর আগে নতুন সরকার এক সপ্তাহেরও কম সময় হাতে পাবে। এই সময়ের মধ্যে মন্ত্রিসভা গঠন ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া চলাকালেই সুযোগসন্ধানী মহল দাম বাড়িয়ে দিতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নির্বাচনের পর সাধারণত সরকার গঠনে সপ্তাহখানেক লেগে যায়। এরপর সংসদ অধিবেশন ও মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে আরও কিছুদিন লাগে। আর এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বিভিন্ন সংকটের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের পক্ষেও সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিতে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

চাপে ফেলবে মূল্যস্ফীতিও

রমজান মাসে ভোজ্যতেল, বিভিন্ন ধরনের ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ, খেজুর, মসলা, আদা ও রসুনসহ কিছু পণ্যের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। এসব পণ্যের মধ্যে খেজুর প্রায় পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। ভোজ্যতেল ও মসলারও একটি বড় অংশ আমদানি করতে হয়। পেঁয়াজ, রসুন ও আদা আংশিকভাবে আমদানিনির্ভর।

আমদানিনির্ভর এসব পণ্যের মূল্যে মূল্যস্ফীতি বড় প্রভাব ফেলে। মূল্যস্ফীতি বেশি থাকলে ডলারের দাম বাড়ে, এলসি খোলার খরচ বাড়ে এবং পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যয়ও বেড়ে যায়। ফলে সরকার শুল্ক কমালেও বাজারে তার প্রভাব পুরোপুরি পড়ে না।

উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় ব্যবসায়ীরা ভবিষ্যতে আরও দাম বাড়বে, এই আশঙ্কায়—পণ্য বাজারে ছাড়তে দেরি করে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করে। রমজানের মতো উচ্চ চাহিদার সময়ে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশে। নীতিসুদ হার বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে আছে; যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে নিম্ন আয়ের মানুষকে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আগের মতো কঠোর, অর্থাৎ সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ। বাজারভিত্তিক সুদের হার নির্ধারণ ও নীতিহারকে কার্যকর করা, পণ্যবাজারে প্রতিযোগিতা ও সরবরাহ-ব্যবস্থা শক্তিশালী করারও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

তবে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বলছে, সাম্প্রতিক প্রবণতায় মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হলেও সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণে বেসরকারি খাতের ঋণ ও বিনিয়োগে বিপর্যয় নেমে এসেছে। এতে করে অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা ভেবে ব্যাংক ঋণের সুদহার আর না বাড়ানোর পথে হাঁটছে সরকার।

এমন পরিস্থিতিতে রমজানের আগে থেকেই নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা না গেলে এবং সরাসরি তদারকি না করা হলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। নির্বাচনের পর নতুন প্রশাসন ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নিতে নিতেই যদি বাজার অস্থির হয়ে পড়ে, তাহলে পরবর্তী সরকার শুরুতেই বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

রমজানে দরকারি পণ্যগুলোর সরবরাহের কী অবস্থা

রমজানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে, তার মধ্যে ভোজ্যতেল অন্যতম। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন। শুধু রমজান মাসেই এর চাহিদা প্রায় ৩ লাখ টনে পৌঁছায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভোজ্যতেল আমদানি ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। সরকার ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৪৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন লিটার ভোজ্যতেল সংগ্রহের অনুমোদন দেয়। জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে থাইল্যান্ড থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রমজানে আরেকটি দরকারি পণ্য ডালের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৮ লাখ মেট্রিক টন। রমজানে বাড়তি চাহিদা থাকে ২ থেকে ৩ লাখ মেট্রিক টন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে মসুর ডালের আমদানি ৮৭ শতাংশ এবং মটর ডালের আমদানি ২৯৪ শতাংশ বেড়েছে।

পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪২ লাখ মেট্রিক টন। তবে পেঁয়াজ পঁচনশীল হওয়ায় নষ্ট হয় বলে আমদানিও করতে হয়। ডিসেম্বরের পর থেকে ৫২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানির ফলে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। যদিও সম্প্রতি সরকার ভারতীয় পেঁয়াজের নতুন ইমপোর্ট পারমিট দেওয়া বন্ধ করেছে।

রমজানে সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন পণ্য খেজুর। দেশে বছরে খেজুরের চাহিদা ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে শুধু রমজানেই লাগে ৬০–৭০ হাজার টন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে খেজুর আমদানি ২৩১ শতাংশ বেড়েছে। সরকার ডিসেম্বর মাসে আমদানি শুল্ক ৪০ শতাংশ কমিয়েছে।

মরিচ ও হলুদসহ প্রধান মসলার চাহিদার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ স্থানীয় উৎপাদন থেকে আসে। আদার উৎপাদন তুলনামূলক ভালো হলেও রসুনের আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।

রাজধানীর একাধিক কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, রমজান উপলক্ষে ছোলা, খেজুর, ডাল, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ইত্যাদির সরবরাহ বেড়েছে। তবে কাগজে-কলমে আমদানি বাড়লেও কিছু পণ্যের দাম (যেমন ছোলা, ডাল, পেঁয়াজ, তেল) বাড়ার প্রবণতা দেখা গেছে।

সরকার ও ব্যবসায়ীরা কী পদক্ষেপ নিয়েছে

রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর শীর্ষ ব্যবসায়ীদের আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। ব্যবসায়ীরাও সে অনুযায়ী এলসি খোলা বাড়িয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক আছে, এটা শুধু মুখে বললে হবে না। বাজারেও সেটার প্রতিফলন থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আগের বছরের তুলনায় সয়াবিন তেলের আমদানি ৩৬ শতাংশ, চিনির ১১ শতাংশ, ডালের ৮৭ শতাংশ, ছোলার ২৭ শতাংশ, মটরডালের ২৯৪ শতাংশ ও খেজুরের ২৩১ শতাংশ বেড়েছে।

নভেম্বরে ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিতে ৯০ দিন বিলম্বে মূল্য পরিশোধ ও ন্যূনতম এলসি মার্জিনের সুবিধা দেওয়া হয়, যা ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর পর ডিসেম্বরে এলসি খোলার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।

গত ৬ জানুয়ারি সরকার ভোজ্যতেল ও ডাল সরাসরি সংগ্রহের অনুমোদন দেয়। টিসিবিও স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, খেজুর ও ডাল কিনে রেখেছে।

টিসিবির উপরিচালক (বাণিজ্যিক) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমরা রমজান উপলক্ষে ৬৫ লাখ কার্ডধারীরর জন্য ১৩ হাজার টন ভোজ্য তেল, ৬.৫ হাজার টন চিনি, ১০ হাজার টন ছোলা, ২২০৫ টন খেজুর ও ১৩ হাজার টন ডাল কিনে রেখেছি।’

তবে এসব উদ্যোগেও বাজার নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ এখনও কাটেনি বলে মনে করছেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দাবি করেছিলাম, শুধু নীতিগত সিদ্ধান্ত জারি করলে হবে না। বাজারে এনবিআরের সরাসরি তদারকি করতে হবে। আর নয়তো ব্যবসায়ীরা কিছুই মানবে না।’

তিনি উদারহণ তুলে ধরে বলেন, ‘সরকার খেজুর আমাদানিতে ট্যাক্স কমালেও ব্যবসায়ীরা বলবে, আমরা ট্যাক্স কমানোর আগেই খেজুর কিনে রেখেছি। সরাসরি তদারকি না থাকলে ব্যবসায়ীরা ট্যাক্স কমানোর সুযোগও নিবে আবার দামও বেশি রাখবে। অতীতে সেই তদারিক দেখা যায়নি। এবারও তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।’

সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘এবার নির্বাচনের পরপরই রোজা শুরু হবে। সে সময় সবাই নতুন সরকার গঠন নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। আর এই সুযোগটা ব্যবসায়ীরাও নেবে। তারা দাম বাড়িয়ে দেবে। এটা ঠেকাতে দরকার কঠোর নজরদারি। রোজার আগে থেকেই সেই নজরদারি শুরু করতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।’

তবে এমন অভিযোগ মানতে চাইছেন না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এখন আমাদের অগ্রাধিকার কর্মসূচি। এ জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি পেঁয়াজের মূল্য কমাতে সরকার ভারত থেকে আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এতে পেঁয়াজের দাম কমে এসেছে। এ ছাড়া ভোজ্য তেল কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রমজানকে সামনে রেখে এভাবে আমরা একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছি। সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। ফলে আশা করি রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় থাকবে।’