কাঁচা মরিচের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি শুরু
সংগৃহীত ছবি
দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের লাগামহীন দাম নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে আমদানির সবুজ সংকেত দিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে হিলি স্থলবন্দরের ১০ জন আমদানিকারক মোট ২ হাজার ৯০০ টন (প্রায় ৩ হাজার টন) কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমোদন পেয়েছেন।
অনুমতি পাওয়ার পরপরই এলসি খোলাসহ যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। সব প্রক্রিয়া শেষে সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল থেকেই হিলি বন্দর দিয়ে ভারতীয় কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করতে শুরু করবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভারতীয় মরিচ বাজারে ঢুকলে দাম দ্রুতই সহনশীল পর্যায়ে নেমে আসবে।
সাম্প্রতিক সময়ে বৈরী আবহাওয়া এবং টানা ঝড়বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচা মরিচের খেত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান কমে যাওয়ায় দাম হু হু করে বেড়ে প্রতি কেজি ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এমতাবস্থায় ভারতের বাজারে দাম তুলনামূলক কম থাকায় বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমদানিকারকরা সরকারের কাছে আমদানির আবেদন জানিয়েছিলেন এবং তারই প্রেক্ষিতে এই অনুমোদন মিলেছে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কারণেই বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তবে আজ বিকেল নাগাদ আমদানি শুরু হলে দাম খুব দ্রুতই কমে আসবে এবং বাজার আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে তিনি আশাবাদী।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে ১০ জন আমদানিকারককে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচা মরিচ আনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন তারা অনায়াসেই পণ্য আমদানি করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছিল। নতুন করে এই আমদানির ফলে সাধারণ ক্রেতারা বাজারে দ্রুতই স্বস্তি ফিরে পাওয়ার আশা করছেন।